
কবি, সাহিত্যিক ও গবেষক
ভাষার দাবী, আকুতি মিনতিতে হবে না, দেখে আন্দোলনে রাস্তায় নামা প্রায় স্থির হয়ে গেল। আন্দোলন করতে হলে ছাত্র সংগঠনের প্রয়োজন। তাই দেরি না করেই জাতীয় পর্যায়ের একটি ছাত্র সংস্থা গঠন করা হয় ১৯৬১ এর ২০ অক্টোবর। গোপী মুখার্জি এবারও এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর তত্ত্বাবধানে মদন মোহন মুখোপাধ্যায় নিখিল বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ছাত্র সংস্থার স্থায়ী সভাপতি নির্বাচিত হন। এবং সঙ্গে পেয়ে যান সাধারণ সম্পাদক প্রফুল্ল কুমার সিংহ সহ তারই তৈরি করা এক তরুণ তুর্কী ব্রিগেটকে।

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের মধ্যে থেকে ভাষা নিয়ে যিনি প্রথম চিন্তা-চর্চা শুরু করেন তিনি মাছুঘাট গ্রামের শিক্ষিত যুবক হরিদাস সিংহ। পরবর্তীতে তিনি আসামের এ.সি.এস. অফিসার হয়েছিলেন। তিনি “বিষ্ণুপ্রিয়া ভাষা” নামে একটি প্রবন্ধ লেখেন ১৯৩৩ সালের প্রকাশিত মণিপরী পত্রিকার ১ম বর্ষ ৩য় সংখ্যায়। তিনি মণিপুরীদের বিষ্ণুপ্রিয়া ভাষার ব্যাকরণ-চিন্তা নিয়ে বিস্তারিত লেখেন। সেই থেকে কষ্টার্জিত মৈতেই ভাষা ছেড়ে দিয়ে বিষ্ণুপ্রিয়ারা নিজ মাতৃভাষার বিকাশ নিয়ে চিন্তা-চর্চা শুরু করেন।